| ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |২২শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি December 13, 2025, 6:26 am
Title :
সরকারি চাষের অনুমতিপ্রাপ্ত জমি দখলদারদের হাত থেকে ফিরে পেতে ২০ জন কৃষকের সংবাদ সম্মেলন বাকেরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উদযাপন! রাজশাহীতে হেরোইন আত্মসাতে বাহককে হত্যা : স্বীকারোক্তি, ময়নাতদন্ত, প্রমাণ—তবু চার্জশিট নেই বাকেরগঞ্জে ট্রাক চাপায় যুবকের মৃত্যু, স্ত্রী গুরুতর আহত “বাকেরগঞ্জ দর্পণ” অনলাইন নিউজ পোর্টালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু বাকেরগঞ্জ উপজেলার প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল “বাকেরগঞ্জ দর্পণ” আজ শুভ উদ্বোধন বাকেরগঞ্জে বহিষ্কৃত কৃষকদল সভাপতির বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের বাকেরগঞ্জে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অঅভিযোগে বাকেরগঞ্জে দুই যুবদল নেতা বহিষ্কার

এলজিইডির ১৯০৯ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫
  • 105 Time View

প্রথম বাংলা : বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারি ইমারজেন্সি অ্যান্ড রেসপন বা‘বি-স্ট্রং’প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগেঅভিযানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্পটির আওতায় অনিয়ম ও ব্যয়ের অতিরিক্ত হিসাবের প্রমাণ পাওয়ার পর গত এপ্রিল মাসে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম।

২০২৪ সালের বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বিভাগের ছয়টি জেলা—ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জন্য বরাদ্দকৃত ১৯০৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নের আগেই এর নানা খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য হাতে পায় দুদক।

অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা জানান,প্রকল্পটির বিভিন্ন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রমাণ মিলে ছে। তিনি বলেন,‘আমরা আজ অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি’পাপন সাহা জানান,প্রকল্পটি গত ২০ এপ্রিল একনেকে অনুমোদিত হলেও এখনো বাস্তব কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে আগেই বিভিন্ন সরঞ্জামের মূল্য অতিরিক্ত দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্ট্রিট সোলার লাইটের প্রতি ইউনিট মূল্য ধরা হয়েছে ৭২ হাজার টাকা। অথচ পরিকল্পনা কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে,এমন সোলার লাইটে র প্রয়োজন নেই। প্রকল্পে ৬০টি মোটরসাইকেলের প্রস্তাব করা হলেও কমিশন থেকে মাত্র ৩৬টি ক্রয়ের সুপারিশ করা হয়েছে শিক্ষাপণ্য,কম্পিউটার,ল্যাপটপসহ অন্যান্য খাতে যেভাবে ব্যয় দেখানো হয়েছে,তা অনিয়মের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো—মাত্র চার টি ল্যাপটপের জন্য ১১ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব,যা সন্দেহের উদ্রেক করেছে দুদকের তদন্তকারীদের মধ্যে।এই প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ১৬৪৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্ব ব্যাংক এবং বাকি অর্থ যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার।

এ প্রসঙ্গে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ আব্দুল মান্নান বলেন,‘আমাদের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বর্তমানে ঢাকার বাইরে রয়েছেন প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি; শুধু একনে কে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বরখাস্ত করা হয়। যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত, সেখানেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলজিইডির প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন আবারও সামনে চলে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category