| ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 16, 2026, 9:48 am
Title :
নান্দাইল খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ লক্ষ্মীপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক” রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ

ভেঙে যাওয়া এক সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের দূরত্ব বাড়ালো ৩০ কিলোমিটার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, অক্টোবর ১২, ২০২৪
  • 308 Time View

আসাদুল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পশ্চিম-দক্ষিণ কোণে বয়ে যাওয়া প্রায় ১০০ মিটার চওড়া এবং ১৫ মিটার গভীর খালের নাম বুড়াইল। কয়েক দশক ধরেই লোকজনকে পারাপার হতে হয় সাঁকো দিয়ে। কিন্তু সেটিও ভেঙে যাওয়ায় পথচারীদের পারাপারে ভরসা এখন ডিঙি। এতে বিপদে পড়তে হয়েছে চার উপজেলার অন্তত ২৫ হাজার মানুষকে। আর যাতায়াতে দূরত্ব বেড়েছে ৩০ কিলোমিটার পথ।

জানা যায়, উপজেলার তারাপুরের ইমামগঞ্জ বাজার থেকে সোজা উত্তর দিকে চলে যাওয়া কাঁচা রাস্তা মাঝখানে থাকা বুড়াইল নামক খালের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতেন সুন্দরগঞ্জ, পীরগাছা, উলিপুর, রাজারহাটসহ বিভিন্ন এলাকার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ। বাহন হিসেবে চলাচল করে বাইসাইকেল, ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। এছাড়া দক্ষিণ পাড়ে থাকা অধিকাংশ কৃষকের ফসলি জমি খালের উত্তরে। উপজেলা সদর কিংবা প্রধান হাটবাজারের অবস্থানও দক্ষিণে। সাঁকোটি না থাকায় উত্তর-দক্ষিণের অধিবাসীদের থমকে গেছে জীবন-জীবিকা। গত বুধবার সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় ভরসা এখন ডিঙি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছোট্ট একটি নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে পথচারী ও কৃষকদের। ৪-৫ জন উঠলেই ডুবুডুবু করছে ওই ছোট্ট নৌকা। একে তো ছোট্ট নৌকা, তার ওপর স্রোত থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পার হচ্ছেন তারা। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন শিক্ষার্থী, মোটরসাইকেল আরোহী, অটোরিকশা ও ভ্যান চালকরা। সাঁকোটি তাদের আসা-যাওয়ার দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে ৩০ কিলোমিটার পথ।

স্থানীয় শিক্ষক শাহজাহান কিবরিয়া নয়ন, কৃষক আমিনুল ইসলাম ও ডিঙির মাঝি চন্দন দাস বলছেন, ‘লাটশালায় তিস্তা পারাপারের ঘাট থাকায় সুন্দরগঞ্জ, মীরগঞ্জ এবং কুড়িগ্রামের উলিপুর, রাজারহাট, থেতরাই, নাগরাকুড়া ও বড়বাড়ি যেতে দিনে প্রায় ২-৩ হাজার লোক এ পথে যাতায়াত করেন। গত বুধবার সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় বিপদে পড়েছেন তারা। সবাই ভোটের আগে আশ্বাস দেন, কিন্তু পুল আর হয় না।’

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার মো. শাহালম বলেন, সাঁকোটি নিয়ে খুব বিপদে আছি। প্রতিবছর ওই একই সমস্যা। ব্রিজ নিয়ে অনেক যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কাজ হয় না। এখন দেখা যাক। পানি কমলে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় আবার একটা সাঁকো তৈরি করা হবে।

সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় জনসাধারণের ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নাফ বলেন, ‘ব্রিজটির ডিজাইন এর কাজ প্রক্রিয়াধীন। আশাকরি তা দ্রুত অনুমোদন এবং টেন্ডার হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category