| ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি October 23, 2026, 7:15 pm
Title :
রায়পুরে ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ হাওলাদার নরসিংদীতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জিহাদের মৃত্যু, গুরুতর আহত ১ মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান,নুরনবি সহ হালিশহরের অসংখ্য মৎস্যজীবীরা। নরসিংদীর শিবপুরে মাদক সম্রাট ইমন বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য সহ গ্ৰেফতার ১ আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্ৰেফতার ১ চট্টগ্রামে চিনি বোঝাই কার্ভারভ্যানে ছিনতাইঃ বান্দরবানের লামা থেকে ১৪৪ বস্তা চিনি উদ্ধার ভালুকা খাদ্য গুদামে অনিয়ম ও দুর্নীতি আমরা হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই – হিংসা বিদ্বেষের ঠাঁই নাই: শাহাদাত হোসেন লাল শার্শা ও বেনাপোল শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরঞ্জন আজ হালিশহর গলিচিপা ও দক্ষিণ কাট্টলীতে অশ্রুসজল চোখে দেবীকে বিদায় নির্ভেজাল ও পুষ্টিকর ফল উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ !

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • 105 Time View
১৮২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাগেরহাট জেলার শরণখোলায় ডক্টর মাসুম বিল্লাহ ডি. এন কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে একের পর এক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় শিক্ষক, কর্মচারী, ট্রাষ্টি ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি শিক্ষানীতিমালা ভঙ্গ করে ভূয়া সার্টিফিকেটের মাধ্যমে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নেন। এবং দুই দশক ধরে নানা অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অধ্যক্ষ মাহমুদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার সত্ত্বেও ভূয়া সনদ ব্যবহার করে অধ্যক্ষ পদে যোগদান। প্রয়োজনীয় দশ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা না থাকার সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে নিয়োগ নেওয়া। একই সময়ে দুইটি একাডেমিক ডিগ্রি ( ফাজিল ও বি এ অনার্স) অর্জন করে জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। কলেজের ২৯ জন শিক্ষক -কর্মচারীর মধ্যে ২৭ জন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন। শিক্ষক ও চাকুরী প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকুরী দেয়া ও কলেজ ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কলেজে দান করা জমি ও সম্পদ দখল ও অপব্যবহার।

শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন ফি গ্রহণ করেও ফর্ম পূরণ না করার মতে ভয়ংকর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী মিজানুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ মাহমুদুল শুধু ভূয়া সনদে চাকুরী নিয়েই থামেননি, বরং কলেজের কোটি কোটি টাকার সম্পদ, অনুদান ও শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিলে কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে।

ভুক্তভোগী কলেজের শিক্ষক ও ভুক্তভোগীরা অধ্যক্ষের দুর্নীতি, জালজালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে দুদকে অভিযোগ জমা দিয়েছেন, দুদক বিষয়গুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করার জন্য মাউশিকে তদন্ত প্রদান করেন। মাউশি বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার জন্য চিঠি প্রদান করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার খুলনা সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেন। উক্ত কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পান। তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেন।

ড. মাসুম বিল্লাহ ডিএন কারিগরি কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই শিক্ষক জানান,জাল জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ কার্যকলাপের জন্য একাধিকবার কলেজ থেকে বরখাস্ত হন। পুনরায় ক্ষমা ভিক্ষা চেয়ে আবার ফিরে এসে তার আগের কার্যক্রম চালাতে থাকে। মাহমুদুলের চক্রান্তের কারণে ২০২৩ সাল থেকে কলেজ কোন ব্যবস্থাপনা কমিটি ছাড়া চলছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসানের ব‍্যক্তিগত নাম্বারে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category