| ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি March 4, 2026, 8:58 am
Title :
হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩ বাকেরগঞ্জে রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিঃ সহ সভাপতি রানা মল্লিকের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতা ফাহাদকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেফতারে ১২ ঘন্টার আলটিমেটাম ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ড. মাহফুজুর রহমানের মূল পরিকল্পনা ভাবনায় এর “ভালোবাসি তোমায়” বাকেরগঞ্জ পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন জামাল হোসেন বিপ্লব বাকেরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আতাউর রহমান রোমান: দোয়া ও সমর্থন কামনা মানবতার রাজনীতির প্রতীক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান — নির্যাতন-সংগ্রাম পেরিয়ে মেয়র পদে জনআকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে বিএনপি নেতা ঈশ্বরদীতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ৪ ভাইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ বাকেরগঞ্জে হাত বাড়ালে মিলছে মাদক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও থানা পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বরিশালে নগরীতে জুম্মান-সাজ্জাদ’কে ফাঁসাতে মরিয়া আতিকুর ও মিনার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুন ১৯, ২০২৫
  • 119 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীতে বেসিক কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী জুম্মান সিকদার ও জে.কে.এস কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ’কে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে আশা মোটরসের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান আকাশ ওরফে মন্টু এবং হীরামন অনলাইনের সত্তাধিকারী মাহফুজুল হক মিনার ওরফে খিছ মিনার এর বিরুদ্ধে।

মিথ্যা ছাত্রলীগ কর্মী সাজিয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এক অসাধু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময় জুম্মান সাজ্জাদ’কে গ্রেফতার করিয়েছিলেন মন্টু ও মিনার। আর মিথ্যা নাটকীয় গ্রেফতারের মাস্টারমাইন্ড তার নিজেরাই। এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীর।

জুম্মান ও সাজ্জাদ জানান, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালে কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহের কাজ পায় জুম্মান ও সাজ্জাদ। পরবর্তীতে কাজের অংশীদারিত্ব করেন মন্টু কে কিন্তু তার নিজ স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় মন্টু জুম্মান ও সাজ্জাদকে ফাঁসাতে ভুয়া টেন্ডার-ওয়ার্ক অর্ডার এবং ২৫ লক্ষ টাকার জাল চেক তৈরি করেন মন্টু।

জুম্মান ও সাজ্জাদ আরো জানান, ১৬নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান সুমন ওরফে পেদা সুমনের কাছ থেকে জুম্মান ও সাজ্জাদ ২০২৪ সালে ১১ লক্ষ টাকা নেয় এবং তারা পেদা সুমনের কাছে জিম্মির শিকার হয় লাভ এবং আসল মিলিয়ে জুম্মান ও সাজ্জাদ পেদা সুমনকে ৪ মাসে ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও পেদা সুমন এর হাত থেকে তাদের রক্ষা হয়নি।

টাকা পরিশোধ করার পরে চেক এবং স্টাম্প রিটার্ন দেয়ার কথা থাকলেও যুবলিগ এর ক্ষমতা দেখিয়ে তাদের ডকুমেন্টস তাদের রিটার্ন না দিয়ে সেই চেক স্ট্যাম্প মিনার ওরফে খিছ মিনার কে দিয়ে এর বিপরীতে মিথ্যা মামলাও দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর আরো জানান, মানুষকে হয়রানি করা তাদের নেশা-পেশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category