| ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৮শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি July 13, 2026, 4:14 am
Title :
রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অভিযানে ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার আনোয়ারায় বন্যার পানিতে ভেসে এল অজ্ঞাত লাশ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) রাজশাহীতে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ দম্পতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে

বরিশালে নগরীতে জুম্মান-সাজ্জাদ’কে ফাঁসাতে মরিয়া আতিকুর ও মিনার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুন ১৯, ২০২৫
  • 168 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীতে বেসিক কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী জুম্মান সিকদার ও জে.কে.এস কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ’কে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে আশা মোটরসের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান আকাশ ওরফে মন্টু এবং হীরামন অনলাইনের সত্তাধিকারী মাহফুজুল হক মিনার ওরফে খিছ মিনার এর বিরুদ্ধে।

মিথ্যা ছাত্রলীগ কর্মী সাজিয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এক অসাধু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময় জুম্মান সাজ্জাদ’কে গ্রেফতার করিয়েছিলেন মন্টু ও মিনার। আর মিথ্যা নাটকীয় গ্রেফতারের মাস্টারমাইন্ড তার নিজেরাই। এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীর।

জুম্মান ও সাজ্জাদ জানান, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালে কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহের কাজ পায় জুম্মান ও সাজ্জাদ। পরবর্তীতে কাজের অংশীদারিত্ব করেন মন্টু কে কিন্তু তার নিজ স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় মন্টু জুম্মান ও সাজ্জাদকে ফাঁসাতে ভুয়া টেন্ডার-ওয়ার্ক অর্ডার এবং ২৫ লক্ষ টাকার জাল চেক তৈরি করেন মন্টু।

জুম্মান ও সাজ্জাদ আরো জানান, ১৬নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান সুমন ওরফে পেদা সুমনের কাছ থেকে জুম্মান ও সাজ্জাদ ২০২৪ সালে ১১ লক্ষ টাকা নেয় এবং তারা পেদা সুমনের কাছে জিম্মির শিকার হয় লাভ এবং আসল মিলিয়ে জুম্মান ও সাজ্জাদ পেদা সুমনকে ৪ মাসে ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও পেদা সুমন এর হাত থেকে তাদের রক্ষা হয়নি।

টাকা পরিশোধ করার পরে চেক এবং স্টাম্প রিটার্ন দেয়ার কথা থাকলেও যুবলিগ এর ক্ষমতা দেখিয়ে তাদের ডকুমেন্টস তাদের রিটার্ন না দিয়ে সেই চেক স্ট্যাম্প মিনার ওরফে খিছ মিনার কে দিয়ে এর বিপরীতে মিথ্যা মামলাও দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর আরো জানান, মানুষকে হয়রানি করা তাদের নেশা-পেশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category