| ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি August 29, 2026, 8:15 am
Title :
টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলাম দুর্নীতি ও অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে লক্ষীপুরে মসজিদের অজুখানায় সাংবাদিককে হামলা ও হত্যার হুমকি, আক্তার মেম্বারের অত্যাচারে মান্দারীবাসী অতিষ্ঠ” বাকেরগঞ্জে ‘ধরা ছোঁয়ার বাইরে’ আওয়ামী লীগের দোসর আলমগীর, গোপনে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ ছাত্রীকে অশ্লীল বার্তা- পাঠানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে; প্রমাণ দেখিয়েও বিদ্যালয়ে প্রতিকার মেলেনি, থানায় জিডি চাষাড়ার এলিট ক্লাবে জমকালো আয়োজনে সংবাদ প্রতিদিনের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন চন্দ্রগঞ্জ থানা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান: একাধিক স্থানে তল্লাশি, মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার’ ও গ্রেফতার কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলে কে গতিশীল ও দক্ষ সংগঠন হিসে বে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন ইব্রাহিম খলিল বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম করণ পরিবর্তন করে”বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু আদর্শ লীগ করা হয়েছে নরসিংদীর শিবপুরে তিনটি গরুকে বিষ খাইয়ে হত্যা দলে দুর্দিনে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে দেশব্যাপী আলোচনায় সুনামগঞ্জের পরিচিত মুখ আবু বক্কর ছিদ্দিক (এভি ভাই)

বরিশালে নগরীতে জুম্মান-সাজ্জাদ’কে ফাঁসাতে মরিয়া আতিকুর ও মিনার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুন ১৯, ২০২৫
  • 185 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীতে বেসিক কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী জুম্মান সিকদার ও জে.কে.এস কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ’কে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে আশা মোটরসের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান আকাশ ওরফে মন্টু এবং হীরামন অনলাইনের সত্তাধিকারী মাহফুজুল হক মিনার ওরফে খিছ মিনার এর বিরুদ্ধে।

মিথ্যা ছাত্রলীগ কর্মী সাজিয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এক অসাধু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময় জুম্মান সাজ্জাদ’কে গ্রেফতার করিয়েছিলেন মন্টু ও মিনার। আর মিথ্যা নাটকীয় গ্রেফতারের মাস্টারমাইন্ড তার নিজেরাই। এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীর।

জুম্মান ও সাজ্জাদ জানান, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালে কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহের কাজ পায় জুম্মান ও সাজ্জাদ। পরবর্তীতে কাজের অংশীদারিত্ব করেন মন্টু কে কিন্তু তার নিজ স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় মন্টু জুম্মান ও সাজ্জাদকে ফাঁসাতে ভুয়া টেন্ডার-ওয়ার্ক অর্ডার এবং ২৫ লক্ষ টাকার জাল চেক তৈরি করেন মন্টু।

জুম্মান ও সাজ্জাদ আরো জানান, ১৬নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান সুমন ওরফে পেদা সুমনের কাছ থেকে জুম্মান ও সাজ্জাদ ২০২৪ সালে ১১ লক্ষ টাকা নেয় এবং তারা পেদা সুমনের কাছে জিম্মির শিকার হয় লাভ এবং আসল মিলিয়ে জুম্মান ও সাজ্জাদ পেদা সুমনকে ৪ মাসে ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও পেদা সুমন এর হাত থেকে তাদের রক্ষা হয়নি।

টাকা পরিশোধ করার পরে চেক এবং স্টাম্প রিটার্ন দেয়ার কথা থাকলেও যুবলিগ এর ক্ষমতা দেখিয়ে তাদের ডকুমেন্টস তাদের রিটার্ন না দিয়ে সেই চেক স্ট্যাম্প মিনার ওরফে খিছ মিনার কে দিয়ে এর বিপরীতে মিথ্যা মামলাও দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর আরো জানান, মানুষকে হয়রানি করা তাদের নেশা-পেশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category